One Earth-এ প্রকাশিত এই তথ্যের উল্লেখ করে এনডিটিভি তাদের রিপোর্টে বলছে, যুদ্ধের সরাসরি লড়াই থেকে শুরু করে ধ্বংসস্তূপ সরানো, নতুন করে ঘর-বাড়ি ও পরিকাঠামো তৈরি—সব মিলিয়ে বিপুল পরিমাণ কার্বন নির্গমন ঘটছে।
গুগলে আরও খোশখবর
শুধু সক্রিয় যুদ্ধপর্বেই ১.৩ মিলিয়ন টনের বেশি কার্বন নিঃসরণ হয়েছে। বোমা, রকেট, আর্টিলারি—সব মিলিয়ে যুদ্ধক্ষেত্র যেন হয়ে উঠেছে এক বিশাল দূষণের উৎস। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ধ্বংস হওয়া রাস্তা, বাড়িঘর ও পরিকাঠামো পুনর্গঠনের কাজ।
গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী এই নির্গমনের পরিমাণ ২০২৪ সালে Jordan-এর মোট কার্বন নির্গমনের সমান। অর্থাৎ একটি দেশের পুরো বছরের সমান দূষণ হয়েছে এক যুদ্ধেই! এতে এই বার্তা স্পষ্ট যে যুদ্ধ শুধু প্রাণহানি নয়, পৃথিবীর ভবিষ্যৎকেও বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
অথচ যুদ্ধের পরিবেশগত ক্ষতি প্রায়ই আলোচনার বাইরে থেকে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সামরিক কার্যকলাপের এই ধরনের নির্গমন অনেক সময় আন্তর্জাতিক রিপোর্টে ধরা হয় না। তাই United Nations Framework Convention on Climate Change-এর মতো প্ল্যাটফর্মে বাধ্যতামূলক রিপোর্টিংয়ের দাবি উঠছে।
তথ্যঃ এনডিটিভি ডট কম
পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]

0 মন্তব্যসমূহ