একনজরে

10/recent/ticker-posts

Solar System new Satellite Count বেড়ে গেল সৌরজগতের উপগ্রহের সংখ্যা, শনি ও বৃহস্পতির মিলল নতুন চাঁদ


খোশখবর ডেস্কঃ এই মহাবিশ্বের কথা ছাড়ুন, আমাদের সৌরজগতকেই এখনও ভালভাবে আবিস্কার করে উঠতে পারে নি মানুষ।গ্যালিলিওর বৃহস্পতির চাঁদ আবিস্কারের এত বছর পরেও এখনও সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহের উপগ্রহ আবিস্কার হয়ে চলেছে। সদ্য বৃহস্পতির চারটি নতুন চাঁদ শনাক্ত করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।


তবে শুধু বৃহস্পতি নয়, জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা শনি গ্রহকে প্রদক্ষিণকারী ১১টি নতুন চাঁদও আবিষ্কার করেছেন। এই আবিষ্কারের ফলে শনির মোট পরিচিত উপগ্রহের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮৫-এ। অন্যদিকে বৃহস্পতির চারটি নতুন চাঁদ শনাক্ত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ১০০-এর বেশি হয়েছে। বৃহস্পতির মোট চাঁদের সংখ্যা এখন ১০১-এ পৌঁছেছে। এই তথ্য দিয়েছে এনডিটিভি ডট কম।

গুগলে আরও খোশখবর


তবে সাধারণ টেলিস্কোপ নয় এগুলিকে শনাক্ত করতে উন্নত গভীর-মহাকাশ মানমন্দিরের সাহায্য নেওয়া হয়েছে। মাইনর প্ল্যানেট সেন্টারের ঘোষণা অনুযায়ী, নতুন আবিষ্কৃত চাঁদগুলি আসলে ‘অনিয়মিত’ উপগ্রহ। অর্থাৎ এগুলি ছোট (গড়ে প্রায় ৩ কিলোমিটার প্রশস্ত) এবং এগুলির কক্ষপথ দূরবর্তী ও প্রায়শই উপবৃত্তাকার।


স্কট শেপার্ড এবং ডেভিড থোলেন বৃহস্পতির নতুন চাঁদগুলি শনাক্ত করেছেন, যেখানে এডওয়ার্ড অ্যাশটনের নেতৃত্বাধীন একটি দল শনির নতুন চাঁদগুলি আবিষ্কার করেছে। এই ধরণের পরীক্ষার ক্ষেত্রে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এখন ‘শিফট অ্যান্ড স্ট্যাক’ পদ্ধতি ব্যবহার করেন। এই পদ্ধতিতে আকাশের একই এলাকার একাধিক ছবিকে একত্রিত করে কক্ষপথে চলমান অত্যন্ত ম্লান বস্তুগুলির সংকেতকে শক্তিশালী করা হয়।

নতুন উপগ্রহগুলি খুবই ম্লান অর্থাৎ অনুজ্জ্বল।এগুলির মাত্রা (ম্যাগনিচিউড) ২৫ থেকে ২৭-এর মধ্যে। তুলনার জন্য বলা যায়, আমাদের চাঁদের মাত্রা -১২.৬। ধারণা করা হয় যে এই চাঁদগুলির অনেকগুলিই গ্রহাণু অথবা প্রাচীন সংঘর্ষের খণ্ডবিশেষ।

সৌরজগতের গ্রহগুলির চাঁদের সংখ্যা

শনিঃ ২৮৫টি উপগ্রহ। ১১টি নতুন চাঁদ পাওয়ায় শনি এখনও সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি উপগ্রহের মালিক।

বৃহস্পতিঃ ১০১টি উপগ্রহ। চারটি নতুন চাঁদ আবিষ্কারের ফলে বৃহস্পতি প্রথমবারের মতো ১০০-উপগ্রহের মাইলফলক অতিক্রম করেছে।

ইউরেনাসঃ ২৮টি

নেপচুনঃ ১৬টি

মঙ্গলঃ ২টি

পৃথিবীঃ ১ টি

বুধ ও শুক্রের কোনও চাঁদ নেই

 তথ্যঃ এনডিটিভি ডট কম

পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।] 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code