একনজরে

10/recent/ticker-posts

Asha Bhosle Dies দীর্ঘ প্রায় আট দশকের দীর্ঘ কেরিয়ারে সমাপ্তি, গান গানে গড়েছেন বিশ্ব রেকর্ড


খোশখবর ডেস্কঃ ভারতীয় সঙ্গীত জগতের এক যুগের অবসান। প্রায় আট দশকের দীর্ঘ কেরিয়ারে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আশা ভোঁসলে। তিনি ছিলেন সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর-এর ছোট বোন। মঙ্গেশকর পরিবারে জন্ম নেওয়া আশা নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তুলেছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। এই তথ্য দিয়েছে এনডিটিভি ডট কম।


বলা হয় আশা ভোঁসলের কণ্ঠ শুধু গান নয়,এক ইতিহাস। মাত্র ১০ বছর বয়সে ১৯৪৩ সালের মারাঠি ছবি ‘মাঝা বাল’-এ প্রথম গান গেয়েছিলেন তিনি। শুরুতে নাচের গানের জন্য পরিচিত হলেও পরবর্তীতে গজল ও শাস্ত্রীয় সংগীতেও নিজের দক্ষতার প্রমাণ দেন। ৯০ বছর বয়সেও মঞ্চে তিন ঘণ্টা ধরে গান গাওয়ার ক্ষমতা ছিল তাঁর। সঙ্গীতকেই তিনি নিজের ‘শ্বাস’ বলে মনে করতেন। আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে ভারতীয় সঙ্গীতজগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হল। তাঁর কণ্ঠ, তাঁর গান—প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বেঁচে থাকবে।

ইন্ডিয়াটিভিনিউজ ডট কম-এর তথ্য অনুসারে ভারতীয় সঙ্গীতের কিংবদন্তি আশা ভোঁসলে-এর নাম যে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ নথিভুক্ত রয়েছে। ২০১১ সালে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পান তিনি। সংগীতের ইতিহাসে সর্বাধিক সংখ্যক স্টুডিও রেকর্ডিং করা শিল্পী হিসেবে তিনি এই স্বীকৃতি অর্জন করেন।


সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুসারে প্রায় ১২,০০০-এরও বেশি গান তিনি গেয়েছেন, তাও আবার ২০টিরও বেশি ভারতীয় ও বিদেশি ভাষায়। এই অসামান্য কৃতিত্বই তাঁকে বিশ্বের সর্বাধিক রেকর্ড করা শিল্পীর মর্যাদা এনে দেয়।

এছাড়াও সঙ্গীতজগতে অসামান্য অবদানের জন্য একাধিক সম্মান অর্জন করেছেন তিনি। ১৯৮১ সালে ‘উমরাও জান’ ছবির জন্য এবং ১৯৮৮ সালে ‘ইজাজত’ ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পান। ২০০০ সালে পান দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার এবং ২০০৮ সালে লাভ করেন পদ্ম বিভূষণ।

মৃত্যুতে ভারতীয় সঙ্গীতজগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হল। তাঁর কণ্ঠ, তাঁর গান—প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বেঁচে থাকবে। তাঁর গান আগামী প্রজন্মের কাছেও সমানভাবে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

তথ্যঃ এনডিটিভি ডট কম ও ইন্ডিয়াটিভিনিউজ ডট কম

পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।] 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code