একনজরে

10/recent/ticker-posts

Hydrogen cooking stove জ্বালানি হাইড্রোজেন! রান্না হবে জলে? ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ অত্যাধুনিক স্টোভের গল্প


খোশখবর ডেস্কঃ রান্নার গ্যাস নিয়ে আপনি চিন্তায়? ইলেক্ট্রিকের কারণে ইন্ডাকশন কুকটপ ব্যবহারেও সমস্যা? এবার আপনাকে বিকল্প পথ দেখাতে পারে নতুন এক হাইড্রোজেন স্টোভ যা আগামী দিনে রান্নার জগতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।গ্রিন হাইড্রোজেন স্টোভের ধারণা একেবারে নতুন। আগে এমন জিনিস দেশের বাজারে আসেনি। তাই এই ধরনের স্টোভ নিয়ে আলোচনা চলছে। সদ্য এই মেড ইন ইন্ডিয়া স্টোভ নিয়ে এক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ইন্ডিয়াটুডে ডট ইন।


বলা হচ্ছে ভারতে তৈরি এই হাইড্রোজেন স্টোভ বদলে দিতে পারে আপনার রান্নাঘরের ভবিষ্যৎ। যা হয়ে উঠতে পারে প্রচলিত সব রান্নার চুল্লি, উনুন ও স্টোভের ভাল বিকল্প। সবচেয়ে বড় কথা তেল বা এলপিজির মত দামি উপাদান নয় এতে ব্যবহার করা হবে জল। ইন্টারেস্টিংইঞ্জিনীরিং ডট কম তাদের তথ্যে জানিয়েছে অত্যাধুনিক এই হাইড্রোজেন কুকিং স্টোভ মাত্র ১০০ মিলিলিটার জল এবং ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা (kWh) বিদ্যুৎ ব্যবহার করে টানা কয়েক ঘণ্টা রান্না করতে সক্ষম।

গুগলে আরও খোশখবর 


এই স্টোভের মূল বৈশিষ্ট্য হল এর ‘ক্যাটালিটিক হাইড্রোজেন বার্নার’, যা হাইড্রোজেন জ্বালিয়ে প্রায় শিখাবিহীন অবস্থায় রান্নার সুযোগ করে দেয়। প্রচলিত LPG ব্যবস্থার মতো এতে গ্যাস সিলিন্ডার মজুত রাখার প্রয়োজন পড়ে না। সবচেয়ে বড় কথা পরিবেশগত দিক থেকেও এই প্রযুক্তি সম্পূর্ণ দূষণমুক্ত রান্নার একটি সম্ভাবনাময় মাধ্যম।


বর্তমানে এটি বিভিন্ন সরকারি ক্লিন এনার্জি প্রকল্প, গবেষণাগার, কমিউনিটি কিচেন, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্র এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলিতে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহারের জন্যই ভাবা হয়েছে। তবে একটি স্টার্টআপ সংস্থা ইতিমধ্যেই ঘরোয়া ও বাণিজ্যিক—দুই ধরনের রান্নাঘরের জন্যই উপযোগী প্লাগ-অ্যান্ড-প্লে স্টোভ তৈরি করেছে।

তবে হিসেব মত জল দিয়ে রান্না করা গেলেও প্রযুক্তির কারণে এই স্টোভের দাম প্রায় ১ লক্ষ ৫ হাজার টাকা থেকে প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। অনেকের ধারনা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে যে আলোচনা চলছে তাতে আগামী দিনে গৃহস্থের সাধ্যের মধ্যে চলে আসতে পারে এই স্টোভ।

তথ্যঃ ইন্ডিয়াটুডে ডট ইন 

পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।] 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code