একনজরে

10/recent/ticker-posts

Earth at night কেন রাতে পৃথিবীর একাংশ আরও উজ্জ্বল হলেও কিছু অঞ্চল ডুবে যাচ্ছে অন্ধকারে?


খোশখবর ডেস্কঃ নতুন মহাকাশ গবেষণায় উঠে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য। রাতের পৃথিবী আর আগের মতো স্থির নয়—বরং তা ক্রমাগত বদলে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা NASA এবং NOAA-এর স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি বিশ্লেষণ করে দেখেছেন, পৃথিবীর কোথাও কোথাও রাতের আলো বেড়েছে আবার কোথাও তা ম্লান হয়ে যাচ্ছে। আবার কখনও আলো বাড়ছে, আবার কোথাও হঠাৎই অন্ধকার নেমে আসছে —যা এক অস্থির ছন্দের মতো আচরণ করছে। আন্তর্জাতিক গবেষণায় উঠে আসা এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে প্রখ্যাত জার্নাল Nature-এ।এই তথ্য হাজির করেছে আর্থ ডট কম (earth.com)।


এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে যেসব দেশে দ্রুত নগরায়ণ হচ্ছে, সেখানে রাতের আলো স্পষ্টভাবে বাড়ছে। যেমন ভারত ( India) ও চিন (China) -র মতো দেশে নতুন শহর, রাস্তা এবং বিদ্যুৎ পরিষেবার বিস্তারের ফলে রাতের অন্ধকার ক্রমশ আলোকিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আলো অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জনবসতির ঘনত্বের ইঙ্গিত বহন করে।
আবার হঠাৎ করেই বড় এলাকা অন্ধকারে ডুবে যাওয়ার কারণ হিসেবে যুদ্ধ বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কথা বলা হয়েছে। বলা হচ্ছে ইউক্রেন (Ukraine) -এ রাশিয়ার আগ্রাসনের পর রাতের আলো দ্রুত কমে যাওয়ার ঘটনা তারই উদাহরণ। ভেনেজুয়েলা ( Venezuela) -র মতো দেশে অর্থনৈতিক সংকট ও দুর্বল পরিকাঠামোর কারণে আলো কমে যাওয়ার নজিরও মিলেছে।

গুগলে আরও খোশখবর 


তবে সব ক্ষেত্রে আলো কমে যাওয়াকে খারাপ হিসেবে ব্যখ্যা করা হয় নি। যেমন France-এর মতো কিছু দেশ শক্তি সঞ্চয় ও আলোক দূষণ কমাতে মাঝরাতের পর শহরের আলো বন্ধ রাখছে।


নতুন গবেষণার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল প্রতিদিনের স্যাটেলাইট ডেটার ব্যবহার। এর ফলে ছোট ছোট পরিবর্তনও স্পষ্টভাবে ধরা পড়ছে। COVID-19 লকডাউনের সময় বিশ্বজুড়ে বহু শহরের আলো কমে যাওয়া এই তথ্যের মাধ্যমেই স্পষ্ট হয়েছিল। সোজা কথায় রাতের পৃথিবী এক জীবন্ত মানচিত্র হিসেবে উঠে আসছে —যা মানুষের কর্মকাণ্ড, উন্নয়ন এবং সংকটের প্রতিচ্ছবি হয়ে প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে।

তথ্যঃ আর্থ ডট কম (earth.com)

পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদের সামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।] 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code