একনজরে

10/recent/ticker-posts

NASA Football To Moon মার্কিন দল বিশ্বকাপ জিতলেই চাঁদে পাঠানো হবে ফুটবল! অভিনব ঘোষণা নাসার


খোশখবর ডেস্কঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পুরুষদের ফুটবল দল যদি ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ জিততে পারে, তাহলে তা উদ্‌যাপনের জন্য অভিনব ঘোষণা করল নাসা। এনডিটিভির খবর অনুযায়ী মঙ্গলবার চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা (NASA) প্রধান জ্যারেড আইজ্যাকম্যান বলেন, "এটাই চ্যালেঞ্জ। টিম ইউএসএ, তোমরা কাজটা করে দেখাও। আমরা ফুটবলটাকে চাঁদে পৌঁছে দেব।"


নাসা প্রধানের এমন বার্তা প্রকাশ্যে আসতেই চর্চা শুরু হয়েছে বিশ্বজুড়ে। খেলোয়ারদের বাড়তি অনুপ্রেরণা দিতে এই ঘোষণা যে অনন্য তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু যদি মার্কিন দল বিশ্বকাপ জেতেও তাহলে বল চাঁদে নিয়ে যেতে নাসার ভাবনা ঠিক কীরকম জল্পনা তৈরি হয়েছে তা নিয়ে।

কীভাবে চাঁদে যাবে ফুটবল? নাসার পরিকল্পনা অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপ জিতলে ভবিষ্যতের কোনও এক চন্দ্র অভিযানে বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির সঙ্গে ওই ফুটবলটিকেও পাঠানো হবে। তবে কোন চন্দ্রযানে করে ফুটবলটি পাঠানো হবে এখনও ঠিক হয়নি। জানা যাচ্ছে সেই দায়িত্ব নাসার ‘মুন বেস’ (Moon Base) কর্মসূচির দলের হাতেই থাকবে - এমনটা জানাচ্ছে স্পেস ডট কম।


তবে আগে চাঁদে না গেলেও ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফুটবল ইতিমধ্যেই মহাকাশ সফর করে ফেলেছে। সম্প্রতি নাসা একটি অফিসিয়াল বিশ্বকাপ বল আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (ISS) পাঠিয়েছিল। সেখানে কিবো (Kibo) মডিউলে থাকা মহাকাশচারীরা মাধ্যাকর্ষণহীন পরিবেশে সেই বল নিয়ে খেলেছেন।

তবে এটাও একেবারে নতুন নয়। স্পেস ডট কম-এর তথ্য অনুযায়ী অ্যাপোলো-১৪ অভিযানে মহাকাশচারী অ্যালান শেপার্ড গোপনে একটি গলফ ক্লাব এবং দুটি গলফ বল চাঁদে নিয়ে গিয়েছিলেন। পরে তিনি চাঁদের মাটিতে কয়েকটি শটও খেলেন, যা মহাকাশ অভিযানের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে রয়েছে। তবে গোপনে নয়, নাসার নতুন পরিকল্পনাটি হবে সম্পূর্ণ সরকারি ব্যবস্থাপনায়। অ্যালান শেপার্ডের ঐতিহাসিক কীর্তিকে ছাপিয়ে যেতে আগে বিশ্বকাপ জিতে রেকর্ড গড়তে হবে আমেরিকাকে। যুক্তরাষ্ট্রের পুরুষদের দল এখনও পর্যন্ত একবারও ফিফা বিশ্বকাপ জিততে পারেনি।

পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদেসামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]  

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code