একনজরে

10/recent/ticker-posts

Plastic Waste Problem মারাত্মক দূষণের কারণ, প্লাস্টিক বর্জ্য সামলাতেই হিমশিম খাচ্ছে বিশ্ব, উঠে এল সমীক্ষায়


খোশখবর ডেস্কঃ পৃথিবীজুড়ে অতিরিক্ত প্লাস্টিক ব্যবহার শুধু গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমনই বাড়াচ্ছে না, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না হওয়ায় তা ভূমি, নদী, সমুদ্র এবং পরিবেশের জন্য মারাত্মক দূষণের কারণ হয়ে উঠছে। সহজ ভাষায়, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে গৃহস্থালি, শিল্প বা বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে উৎপন্ন বর্জ্যকে নিরাপদ ও পরিবেশসম্মতভাবে পরিচালনা করা হয়, যাতে মানুষ ও প্রকৃতির ক্ষতি না হয়।


WWF-এর এক সমীক্ষা বলছে, প্লাস্টিকের পুরো জীবনচক্রে সবচেয়ে বেশি আর্থিক ক্ষতির কারণ হলো প্লাস্টিক বর্জ্যের ব্যবস্থাপনা সঠিক না হওয়া। গবেষণায় এই ক্ষতির অর্থনৈতিক মূল্যও নির্ধারণ করা হয়েছে। দেখা গেছে, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে এই ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে স্ট্যাটিস্টা ডট কম।জুলাই মাসজুড়ে বিশ্বের মানুষকে প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানোর আহ্বান জানায় Plastic Free Foundation।

প্লাস্টিক উৎপাদনের সময় নির্গত হওয়া গ্রিনহাউস গ্যাসের আর্থিক সমান ক্ষতি হল প্রতি কিলোগ্রামে প্রায় ০.৫ মার্কিন ডলার। কিন্তু প্লাস্টিক বর্জ্যের অব্যবস্থাপনার কারণে, বিশেষ করে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতির হিসাব ধরলে, প্রতি কিলোগ্রামে ১৭ থেকে ১৪৯ মার্কিন ডলার পর্যন্ত ক্ষতি হতে পারে। অর্থাৎ,শুধুমাত্র একটা প্লাস্টিকের জীবনচক্রে পরিমাপ করা যাচ্ছে এমন মোট ক্ষতির ৮৯ থেকে ৯৯ শতাংশই আসে বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা না করতে পারা বা ব্যর্থতা থেকে।


তথ্য বলছে এই ব্যায়ের বোঝা সবচেয়ে বেশি বহন করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলো। অন্যদিকে, উচ্চ আয়ের দেশগুলো উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে বেশি অর্থ ব্যয় করলেও, সেই ব্যয় উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামুদ্রিক পরিবেশ ধ্বংসের আর্থিক ক্ষতির তুলনায় অনেক কম।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্লাস্টিক দূষণ মোকাবিলায় শুধু প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানোই যথেষ্ট নয়; সমান গুরুত্ব দিতে হবে বর্জ্য পদার্থ সংগ্রহ, পুনরায় ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দায়িত্বশীল ব্যবস্থার ওপর। তবেই প্লাস্টিকের প্রকৃত সামাজিক ও পরিবেশগত ক্ষতি কমানো সম্ভব হবে।

তথ্যঃ স্ট্যাটিস্টা ডট কম


পিন্টারেস্টে ‘খোশখবরের’ আশ্চর্য দুনিয়া।ক্লিক করুন এই লিঙ্কে


[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]

[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদেসামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]  

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Ad Code