খোশখবর ডেস্কঃ পপ তারকা টেলর সুইফটের নামে উন্মাদনার যেন কোনও শেষ নেই। এবার অস্ট্রেলিয়ায় আবিষ্কৃত নতুন একদল পতঙ্গের নামকরণ করা হয়েছে টেলর সুইফটের নামে। নতুন এই পতঙ্গগোষ্ঠীর নাম Swiftiephylus। নামগুলো দিয়েছেন সারা শ্রোডার। তিনি ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, রিভারসাইড -এর কীটতত্ত্বের গবেষক। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে Insect Systematics & Evolution জার্নালে। এই নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে আর্থ ডট কম।
টেলর সুইফট মানেই সোনালি চুল ও লাল ঠোঁট। অস্ট্রেলিয়ায় আবিষ্কৃত নতুন এই পতঙ্গগোষ্ঠীতে রয়েছে মোট চারটি প্রজাতি। প্রতিটির শরীর ফ্যাকাশে হলুদ, যার ওপর রয়েছে লাল রঙের দাগ বা রেখা। তাতেও যেন টেলর সুইফটের চেহারার ছাপ রয়েছে। সারা শ্রোডার নিজেও দীর্ঘদিনের Swiftie বা টেলর সুইফটের ভক্ত। তাই টেলরকে এভাবে সম্মান জানানোর কথা ভেবেছেন তিনি।
গুগলে আরও খোশখবর(KHOSHKHOBOR)
টেলর সুইফটের ভক্তদের প্রচলিত নাম সুইফটি (Swiftie)। Swiftiephylus নামটি তৈরি হয়েছে তা থেকেই। অর্থাৎ ‘Swiftie’র সঙ্গে ‘phylus’ শব্দাংশ মিলিয়ে। এর মধ্যে চারটি প্রজাতি একই নতুন গণের অন্তর্ভুক্ত। পতঙ্গের এই চারটি প্রজাতি এবং একই গবেষণাপত্রে বর্ণিত আরও আটটি প্রজাতি Miridae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।তাদের বৈজ্ঞানিক নামের সঙ্গে টেলর সুইফট এবং তাঁর কয়েকটি জনপ্রিয় অ্যালবামের নামের যোগসূত্র রয়েছে। সেগুলোর নাম—
Swiftiephylus taylorae — Taylor নাম থেকে
Swiftiephylus amator — Lover-এর ল্যাটিন রূপ
Swiftiephylus intrepidus — Fearless-এর ল্যাটিন রূপ
Swiftiephylus poetorum — Poets-এর ল্যাটিন রূপ
তবে এখনও নামহীন অবস্থায় রয়েছে কোটি কোটি পতঙ্গ। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, শত শত বছর ধরে জীববৈচিত্র্য নিয়ে গবেষণা চললেও পৃথিবীতে এখনও তার অনেকটাই অজানা। কয়েক কোটি প্রজাতির পতঙ্গের আনুষ্ঠানিক নাম ও বৈজ্ঞানিক বর্ণনাই হয়নি।
মনে হতেই পারে যে কেনই বা সুইফটের নামে এই নামকরণ? সারা শ্রোডার জানাচ্ছেন সংরক্ষণবিজ্ঞানের অন্যতম ভিত্তি হলো প্রজাতিকে শনাক্ত ও নাম দেওয়া। টেলর সুইফটের নামে এই পতঙ্গগুলোর নামকরণ তাই শুধু একজন জনপ্রিয় গায়িকাকে সম্মান জানানোর ঘটনা নয়; এর মাধ্যমে পৃথিবীর এখনও অজানা পতঙ্গ বৈচিত্র্য এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার দিকেও মানুষের নজর ফেরানো হয়েছে।
[ছবি সৌজন্যঃ খোশখবর সাইটে ব্যবহৃত ছবিগুলি নেওয়া হয়েছে পিক্সাবে, আনস্প্ল্যাস, ফ্রিপিক, উইকিমিডিয়া কমন্স, গুগল ফটো সহ বিভিন্ন নিজস্ব সূত্র থেকে]
[ জ্ঞান বা তথ্যের কোনও কপিরাইট হয় বলে আমরা মনে করি না। পৃথিবীর বুকে প্রকাশিত অগুনতি বই, লাইব্রেরিতে ঠাসা সমুদ্র সমান জ্ঞান, অন্তর্জালে ছড়িয়ে থাকা আকাশ সমান তথ্য থেকে দু-একটি তুলে এনে পাঠকদেসামনে রাখাই এই ব্লগসাইটের কাজ। তবে জ্ঞানত কোনও ভুল,বিকৃত বা অন্ধ ভাবনার তথ্য প্রকাশ করবে না ‘খোশখবর’।]


0 মন্তব্যসমূহ